আমাদের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট দেশটিতে হবে ৩০০ টি এস্ট্রোট্রার্ফ এবং একাধিক নতুন স্টেডিয়াম। কি অবিশ্বাস্য ভাবনা তাই না? যেখানে শিশুদের খেলার জন্যে ভালো মানের মাঠ নেই,পেশাদারি লীগের প্লেয়ারদের জন্যে রয়েছে হাতগোনা কয়েকটি মাঠ। সেখানেই কিনা হবে ৩০০ টি এস্ট্রোটার্ফ এবং নতুন স্টেডিয়াম। হ্যাঁ, এইরকম অসম্ভব ভাবনার কথাই বলেছেন ঢাকাস্থ রাষ্ট্রদূত ফ্র্যান্সিসকো দ্যা এসিস বেনিতেজ সালাস। গতকাল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সাথে এক আলোচনা সভায় এই কথা বলেন তিনি।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মোঃ সালাহউদ্দিন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আখতার হোসেন। সভার মূল বিষয়বস্তু ছিল ফুটবলের উন্নয়ন। আলোচনায় বাংলাদেশে ৩০০ টি এস্ট্রোটার্ফ ও একাধিক স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। তাতে সম্মতিও জানিয়েন স্পেনের রাষ্ট্রদূত।
এই বিষয়ে স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্র্যান্সিসকো দ্যা এসিস বেনিতেজ সালাস বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চায় স্পেন। সে লক্ষ্যে আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় এস্ট্রোট্রার্ফ নির্মাণের কথা৷ বলেছি। যেখানে আগামীতে মাঠের অভাব দূর হবে এবং সবাই ফুটবল খেলতে পারবে। আশা করছি আমরা দ্রুত একটা চুক্তিও সাক্ষর করতে পারবো।’
সহযোগিতাপূর্ণ এই চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে প্লেয়ার এক্সচেঞ্জের বিষয়ও। এই প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল জানান, ‘বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা স্পেনে যাবে,স্পেনের খেলোয়াড়েরা বাংলাদেশে আসবে। প্লেয়ারদের এইধরনের একটা একচেঞ্জ,কোচদের একচেঞ্জ তাদের সাথে এইধরনের একটা সহযোগিতাপূর্ণ চুক্তি করতে যাচ্ছি।’
এস্ট্রোট্রার্ফ এবং একাধিক মাঠ নির্মাণের বিষয়ে বাফুফে প্রধান কাজী সালাহউদ্দীন বলেন, ‘আমরা যদি ৫০০-৬০০ মাঠ তৈরি করি,ওইখানে বাচ্চারা খেললো এবং ওইখান থেকেই তারা আস্তে আস্তে উঠে আসবে। ফুটবলের উন্নয়ন করতে গেলে পুরো দেশের ভূমিকা রাখার প্রয়োজন। এটাই হলো ফুটবলের উন্নয়নে প্রথম ধাপ,যা আমাদের দেশে দরকার। এছাড়া আমরা একটা ফিফা কমপ্লেক্স স্টেডিয়ামের জন্যে দৌঁড়ঝাপ করতেছিলাম। অবশেষে তারা এই বিষয়ে আমাদের সাথে কাজ করা সম্মতি জানিয়েছে।’